Search This Blog

Sunday, September 11, 2022

ব্রিটিশ রানির মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রিয় শোক পালনের মতো এমন কি করেছেন.?

ব্রিটিশ রানির মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রিয় শোক পালনের মতো এমন কি  করেছেন.? 
তিনি আমাদের রাষ্ট্রের জন্য এমন কি করেছেন যে তিন দিনের রাষ্ট্রিয় শোক পালন করতে হবে। 

তারা এই ভারতীয় উপমহাদেশকে শোষণ করে পৃথিবীর অন্যতম ধনী রাষ্ট্র থেকে দরিদ্র বানিয়ে দিয়েছে। যা এখনো চলমান। 
ভারতবর্ষ থেকে লুট করা মণি-মাণিক্য-হীরা-জহরত পরিহিতা বর্তমান পৃথিবীর শেষ সম্রাজ্ঞী। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হিরা কোহিনূর, যা রানীর মুকুটে শোভা পেয়েছে, সেইটাও আমাদের মোগল সম্রাটদের। 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যখন ভারতীয়রাও ব্রিটিশদের হয়ে লড়ছে তখন সামরিক প্রয়োজনের অজুহাত দেখিয়ে ব্রিটিশরা ভারত বিশেষ করে বাংলা থেকে বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য সরিয়ে নেয়।
,
খাদ্যশস্যের অভাবে তখন বাংলায় যে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় তা ইতিহাসে তেতাল্লিশের মন্বন্তর নামে পরিচিত। সেই মন্বন্তরের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ মানুষ মারা যায। তখন বাংলার জনসংখ্যা ছিল ছয় কোটির মতো। সেই হিসেবে প্রায় প্রতি ১৫ জনের ভেতর একজন মারা যায়। এটা অবিশ্বাস্য বড় রকমের একটা গণহত্যা।
,
ব্রিটিশরা আসার আগে মুসলিম শাসনামলে বাংলা মূলকে কখনো দুর্ভিক্ষ হয়নি। কেননা মুসলিম শাসকরা কোন মৌসুমে ফসল বেশি হলে সেটা জমিয়ে রাখতেন খরার সময় বিলি করার জন্য।
,
কিন্তু ব্রিটিশরা আসার পর প্রতি দশকে একটা করে বড় দুর্ভিক্ষ হতো। কেননা তারা সব ফসল ব্রিটেনে পাচার করে দিত। এই বাড়তি ফসলের বদৌলতে তারা নিজেদের দেশে সফলভাবে শিল্প বিপ্লব ঘটিয়েছিল।
,
ব্রিটিশরা আসার আগে ভারতে কখনো হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা হয়নি। নিজেদের শাসন অব্যাহত রাখার প্রয়োজনে তারা কৌশলে হিন্দু মুসলমান বিভেদ সৃষ্টি করে। সেই বিষে ভারত বর্ষ এখনো জ্বলছে।
,
ব্রিটিশরা আসার আগে ভারতীয় উপমহাদেশ ছিল বিশ্বের সবচেয়ে ধনী জনপদ। পৃথিবীর এক চতুর্থাংশ জিডিপির অধিকারী ছিল ভারতীয়রা। ব্রিটিশদের ২০০ বছরের সীমাহীন শোষণে ভারতবর্ষ হয়ে যায় বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র জনপদ।
,
রানী এলিজাবেথ ছিলেন এই ভয়ানক ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কর্ণধার। তাই তার মৃত্যুর সারা দুনিয়া, মিডিয়া, সভ্য ইউরোপ তার জন্য মায়া কান্না করবে আর তার মহানত্ব ঘোষণা করবে এটাই স্বাভাবিক। ইতিহাস ভুলে গিয়ে বেকুব বাঙালীও হয়তো সেই মহাশোকে যোগ দেবে।

ব্রিটিশ রানীর জন্য আপনাদের এই কান্না দেখে 
 মাষ্টার দা সুর্যসেন, প্রীতিলতা, তিতুমীর, , সুশীল দাশ, নবাব সিরাজউদ্দোলা, ক্ষুদিরামরা শোকাহত।

Wednesday, September 7, 2022

একটি ছোট্ট চিঠি

বিয়ের ২১ বছর পর আমার স্ত্রী আমাকে বলল অন্য একজন মহিলাকে নিয়ে বাইরে বেড়াতে ও খেতে নিয়ে যেতে। সে বলল, “আমি তোমাকে ভালবাসি, কিন্তু আমি জানি এই মহিলাটিও তোমাকে ভালবাসেন এবং তিনি তোমার সাথে একান্তে কিছু সময় কাটাতেও ভালবাসবেন।”

আমার স্ত্রী যার সাথে আমাকে বাইরে যেতে বলছিল, তিনি ছিলেন আমার মা, যিনি ১৯ বছর আগে বিধবা হয়ে গেছেন; কিন্তু আমার কাজের চাপ আর তিন সন্তানের দায়িত্বের কার...
নে শুধু কোন উপলক্ষ হলেই তার সাথে আমার দেখা হওয়া সম্ভব হত।

সেই রাতে আমি মাকে ফোন করে একসাথে বাইরে বেড়াতে ও খেতে যাওয়ার আমন্ত্রন জানালাম। তিনি প্রশ্ন করলেন, ‘কি ব্যপার বাবা, তুমি ভাল আছ তো?’

আমার মা হলেন এমন একজন মানুষ যিনি গভীর রাতে ফোন কল বা আকস্মিক দাওয়াতকে কোন দুঃসংবাদ বলে আগাম আশঙ্কা করেন। মায়ের প্রশ্নে আমি বললাম, ‘ভাবছি তোমার সাথে কিছু ভাল সময় কাটাবো মা। শুধু তুমি আর আমি।’ তিনি এক মুহূর্ত ভাবলেন, তারপর বললেন, “এমন হলে আমার খুবই ভাল লাগবে বাবা।”

কাজ শেষে সেদিন যখন ড্রাইভ করে মাকে তুলে নিতে গেলাম, কিছুটা নার্ভাস বোধ করছিলাম। যখন সেখানে পৌঁছলাম, খেয়াল করলাম, তিনিও যেন এভাবে দেখা করার জন্য কিছুটা নার্ভাস। তিনি রেডি হয়ে দরজার কাছেই অপেক্ষা করছিলেন। তার চেহারা ছিল দ্যুতিময় হাসি। গাড়িতে উঠতে উঠতে তিনি বললেন, ‘আমি আমার বন্ধুদের বলেছি যে আমি আমার ছেলের সাথে বেড়াতে যাচ্ছি; তারা শুনে খুবই খুশী হয়েছে। আমাদের সাক্ষাতের বর্ণনা শোনার জন্য তারা অধীর ভাবে অপেক্ষা করছে।’

আমরা যে রেস্তোরাঁয় গেলাম, সেটা খুব দামী না হলেও বেশ ভাল আর আরামদায়ক ছিল। আমার মা আমার বাহু ধরে ছিলেন, যেন তিনি একজন ‘ফার্স্ট লেডী’। বসার পরে আমাকেই মেনু পড়ে শোনাতে হল। তিনি শুধু বড় লেখা পড়তে পারতেন। অর্ধেক পড়ে শোনানোর পর মুখ তুলে তাকিয়ে দেখলাম, তিনি তাকিয়ে শুধু আমাকে দেখছেন। তার ঠোঁটে এক নস্টালজিক হাসি। তিনি বললেন, ‘তুমি যখন ছোট ছিলে, আমাকে মেনু পড়ে শোনাতে হত।’ আমি বললাম, ‘এখন তাহলে সময় এসেছে যেন তুমি আরাম কর আর আমাকে সুযোগ দাও তোমার সেই কষ্টের প্রতিদান কিছুটা হলেও দেওয়ার।’

খেতে খেতে আমরা সাধারন নিত্যনৈমিত্তিক কথা বার্তা বললাম- বিশেষ কিছু না, জীবনের নতুন নতুন ঘটে যাওয়া ঘটনাবলী একজন আরেকজনকে জানালাম। আমরা অনেকক্ষন গল্প করলাম। পরে যখন মাকে তার বাসায় নামিয়ে দিচ্ছিলাম, তিনি বললেন- “আমি তোমার সাথে আবার বেড়াতে যাব, কিন্তু দাওয়াতটা আমি দেব।” আমি রাজী হলাম।

যখন ঘরে ফিরলাম, আমার স্ত্রী প্রশ্ন করল, ‘তোমার সাক্ষাত কেমন কাটল?’ জবাব দিলাম, ‘ভীষণ ভাল, আমি যেমন ভেবেছিলাম তার চেয়েও অনেক ভাল।’

কিছুদিন পর আমার মা হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকে মারা গেলেন। এটা এমন আকস্মিকভাবে ঘটলো যে তার জন্য আমার কোন কিচ্ছু করার সুযোগও হল না। কিছুদিন পর একটা খাম আসলো আমার কাছে। ভেতরে একটা সেই রেস্তোরাঁর রিসিট যেখানে মাকে নিয়ে খেতে গিয়েছিলাম। সাথে একটি ছোট্ট চিঠি, তাতে লেখা-

‘আমি এই বিলটি অগ্রিম আদায় করে দিয়েছি, জানিনা তোমার সাথে আবার সেখানে যেতে পারতাম কিনা; যাইহোক আমি দুই জনের খাবারের দাম দিয়ে দিয়েছি- একটা তোমার আরেকটা তোমার স্ত্রীর জন্য। তুমি কখনও বুঝবে না সেই রাতটি আমার জন্য কত বিশেষ ছিল। তোমাকে অনেক ভালবাসি বাবা।’

সেই মুহূর্তে আমি বুঝতে পারলাম, সময়মত ‘ভালোবাসি’ কথাটা বলতে পারা এবং প্রিয় মানুষগুলোকে কিছুটা একান্ত সময় দেওয়া কতটা জরুরী। জীবনে নিজের পরিবারের চেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই। তাদেরকে তাদের প্রাপ্য সময়টুকু দিন, কারন এগুলো কখনও ‘পরে কোন এক সময়’ এর জন্য ফেলে রাখা যায় না।

আল্লাহ যেন আমাদের সবার মাদেরকে যারা জীবিত আছেন এবং মারা গেছেন, তাদের উপর রহমত বর্ষণ করেন। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে তাদের জন্য দয়া, ধৈর্য এবং ভালবাসা দান করেন। "রব্বির হামহুমা কামা রব্বায়া-নি সগীরা"

(Collected)

Friday, September 2, 2022

#কিছু উপদেশটা#

♻️১। বেটা! কর্জ হইতে নিজেকে হেফাজাত রাখিও। কেননা ইহা দিনের বেলায় অপমান এবং রাত্রিতে দুশ্চিন্তা।

♻️২। বেটা ! তুমি মোরগের চাইতে বেশী অক্ষম হইও না। সে তো শেষ রাত্রিতে জাগিয়া চিৎকার শুরু করিয়া দেয়, আর তুমি নিজের বিছানায় পড়িয়া ঘুমাইতে থাকো।

♻️৩। বেটা! গুরুত্ব সহকারে জানাযায় শরীক হইও এবং অহেতুক অনুষ্ঠানাদি শরীক হওয়া হইতে বাঁচিয়া থাকিও।

♻️৪। বৎস আল্লাহর সান্নিদ্ধ অবলম্বন করবে।

♻️৫। অন্যকে উপদেশ দেওয়ার আগে নিজে আমল করার চেষ্টা কর।

♻️৬। নিজের মান মর্যাদা বজায় রেখে কথা বলবে।

♻️৭। ভাল মানুষ রূপে বিবেচিত হওয়ার চেষ্টা করবে।

♻️৮। স্বীয় অধিকারের প্রতি সচেতন থাকবে।

♻️৯। গোপন তথ্য কারো নিকট প্রকাশ করবে না।

♻️১০। বিপদে বন্ধুর পরীক্ষা নিবে।

♻️১১। বন্ধুদের ভাল মন্দ উভয়টাই পরীক্ষা করবে।

♻️১২। বিচক্ষণ এবং জ্ঞানী ব্যক্তিদের সাথে বন্ধুত্ব করবে।

♻️১৩। ভাল কাজে পুণঃপুণঃ অংশগ্রহণ করবে ।

♻️১৪। নিজের কথা প্রমাণ করে দিবে।

♻️১৫। বন্ধুদের সাধ্যমত ভালবাসবে।

♻️১৬। শত্রু মিত্র সকলের সাথে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করবে।

♻️১৭। মাতা পিতাকে সর্বাধিক সম্মান করবে।

♻️১৮। শিষ্যকে সর্বাধিক মর্যাদার দৃষ্টিতে দেখবে।

♻️১৯। আয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে ব্যয় করবে।

♻️২০। কথা বলার সময় মুখ আয়ত্বের মধ্যে রাখবে।

♻️২১। বীরত্ব কে নীতি হিসাবে গ্রহণ করবে।

♻️২২। শরীর এবং পোষাক পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখবে।

♻️২৩। ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকবে।

♻️২৪। প্রচলিত অস্ত্র সস্ত্র ও যানবাহন পরিচালনা শিখে নিবে।

♻️২৫। প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী দায়িত্ব প্রদান করবে।

♻️২৬। রাতের বেলায় যদি কথা বলার প্রয়োজন হয় তাহলে আস্তে এবং নরম স্বরে কথা বলবে।

♻️২৭। দিনের বেলায় কথা বলার সময় চতুর্দিকে লক্ষ্য করে কথা বলবে।

♻️২৮। কম কথা বলা কম খাওয়া এবং কম ঘুমানোর অভ্যাস করবে।

♻️২৯। নিজের জন্য যা পচন্দ করো না তা অন্যের জন্য পচন্দ করবে না।

♻️৩০। বিচক্ষণতা ও কৌশল অবলম্বন করে কাজ করবে।

♻️৩১। উপযুক্ত শিক্ষিত না হয়ে অন্যকে শিখাতে যেও না।

♻️৩২। অন্যের ধন সম্পদের প্রতি লক্ষ্য করবে না।

♻️৩৩। নীতিহীনদের কাছ থেকে কৃতজ্ঞতা আশা করবে না।

♻️৩৪। কোনো কাজেই চিন্তামুক্ত হইও না।

♻️৩৫। যে কাজ তুমি করনি এরূপ কাজ করেছ বলে মনে করো না।

♻️৩৬। আজকের কাজ আগামীকালের জন্য ফেলে রাখবে না।

♻️৩৭। বড়দের সাথে হাসি ঠাট্টা করতে যেও না।

♻️৩৮। আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করিও না।

♻️৩৯। তোমার প্রতি যারা আশা রাখে তাদের নিরাশ করো না।

♻️৪০। বড়দের সামনে কথা দীর্ঘায়িত করবে না।

♻️৪১। অতীতের তিক্ততা মনে রেখো না ।

♻️৪২। নিজের ধন সম্পদের কথা অন্যের নিকট প্রকাশ করবে না।

♻️৪৩। সৎ লোকদের নিন্দা করবে না ।

♻️৪৪। আপনজনদের কাছ থেকে কখনও বিচ্ছিন্ন হইও না।

♻️৪৫। অহংকার করবে না।

♻️৪৬। মানুষের সামনে দাঁত খেলাল করবে না।

♻️৪৭। মানুষের সামনে মুখে বা নাকে অঙ্গুল প্রবেশ করবে না।

♻️৪৮। শব্দ করে থুতু ফেলবে না।

♻️৪৯। হাই তোলার সময় মুখে হাত রাখবে।

♻️৫০। কাউকে জনসম্মুখে লজ্জা দিবে না।

♻️৫১। চোখ দিয়ে ইঙ্গিত করবে না।

♻️৫২। এক কথা বারবার বলবে না।

♻️৫৩। তামাশা মূলক অবাস্তব কথা বলবে না।

♻️৫৪। ঠাট্টা বিদ্রুপ থেকে বিরত থাকবে।

♻️৫৫। অন্যের সামনে নিজের প্রশংসা করবে না।

♻️৫৬। মেয়েদের ন্যায় সাজসজ্জা করবে না।

♻️৫৭। কথা বলার সময় হাত নাড়াচাড়া করবে না।

♻️৫৮। আপনজনদের শত্রুর সাথে উঠাবসা করবে না।

♻️৫৯। কারো মৃত্যুর পর তার সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করবে না।

♻️৬০। যথাসম্ভব ঝগড়া বিবাদ থেকে বিরত থাকবে।

♻️৬১। সৎলোকের প্রতি সুধারণা রাখবে।

♻️৬২। নিজের খানা অন্যের দস্তারখানায় নিয়ে যাবে না।

♻️৬৩। কোনো কাজেই তাড়াহুড়ো করবে না ।

♻️৬৪। পার্থিব স্বার্থের মোহে নিজেকে দুঃখ কষ্টে ফেল না।

♻️৬৫। রাগান্বিত অবস্থায়ও ধীর শান্ত ভাবে কথা বলবে।

♻️৬৬।জামার আস্তিন দ্বারা নাক পরিস্কার করবে না।

♻️৬৭। সূর্য উদয়ের পূর্বেই শয্যা ত্যাগ করবে।

♻️৬৮। পথ চলার সময় বড়দের আগে চলবে না।

♻️৬৯। এদিক সেদিক উকি মেরে দেখবে না ।

♻️৭০। অন্যের কথার মধ্যে বাধা দিয়ে কথা বলবে না।

♻️৭১। মেহমানের সামনে কারো প্রতি রাগান্বিত হইও না।

♻️৭২। সন্দেহ প্রবণতা ত্যাগ করতে না পারলে দুনিয়ায় তুমি কোনো বন্ধু খুঁজে পাবে না।

♻️৭৩। বেটা ! তুমি এত মিষ্ট হইও না যে, মানুষ তোমাকে গিলিয়া ফেলে। আরএত তিক্ত হইও না যে মানুষ তোমাকে থুথুর মতো ফেলিয়া দেয়।

♻️৭৪। বেটা! নিজের খানা আল্লাহভীরু লোকদের ব্যতীত কাহাকেও খাওয়াইও না। আর নিজের কাজে আলেমগনের নিকট হইতে পরামর্শ লইতে থাকিও।

♻️৭৫। বেটা! মূর্খের সহিত বন্ধুত্ব করিও না। এমন না হয় তাহার মূর্খতা সুলভ কথাবার্তা তোমার ভালো লাগিত আরম্ভ করে। আর জ্ঞানী
লোকের সহিত শত্রুতা করিও না। এমন না হয় যে, সে তোমার দিক হইতে মুখ ফিরাইয়া রাখে।

♻️৭৬। বেটা ! তুমি যেদিন হইতে দুনিয়াতে আসিয়াছ, প্রতিদিন আখেরাতের নিকটবর্তী হইতেছে।