Search This Blog

Saturday, September 5, 2026

সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ


মুসলিমরা দক্ষিন এশিয়া শাসন করেছে ৮০০ বছরেরও অধিক। কিন্তু একমাত্র বাংলা ছাড়া এর আশেপাশে আর কোথাও মুসলিম মেজরিটি নেই। ১৮৮১ সালের গননায় ধরা পরে বাংলা মুসলিম মেজরিটি। বাংলায় ৯৯% ই ধর্মান্তরিত মুসলিম, যাদের পুর্ব পুরুষ এক সময় হিন্দু বা বৌদ্ধ ছিলো। কারোর মনে কি আসে না সারা ভারতের এতোগুলো রাজ্যের মধ্যে বাংলা কিভাবে মুসলিম মেজরিটি হল? কি ছিলো সে একটা আসল ফ্যাক্টর যার জন্য হিন্দু বাংলা মুসলিম বাংলায় রুপান্তর হলো?
.
এই প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে একজন ব্যাক্তি। রাজা গণেশের পুত্র যদু তথা জালালউদ্দিন মুহাম্মাদ শাহ। রাজা গনেশ ছিলো হিন্দু জমিদার। সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহের শাসন আমলে সে অনেক প্রতাপশালী হয়ে উঠে এবং ছলচাতুরির মাধ্যমে সুলতানকে হত্যা করে ক্ষমতা নেয়। তার শাসনামলে মুসলিম সুফি ও আলেমদের প্রভাব ক্ষুণ্ণ হতে থাকে। গনেশ ধর্মীয় বিদ্দেষ এর কারনে বহু মসজিদ, মাদ্রাসা ও খানকাহ ভেংগে দেয়। অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে বাংলার বিখ্যাত সুফি সাধক নূর কুতুবুল আলম তখন জৌনপুরের সুলতান ইব্রাহিম শর্কীকে বাংলা আক্রমণের আমন্ত্রণ জানান। এই চরম সংকটের মুহূর্তে রাজা গণেশ আপস করতে বাধ্য হন। সুফি সাধক শর্ত দেন গনেশকে মুসলিম হতে হবে। গনেশ বলে এই বুড়ো বয়সে সে পাপ করতে পারবে না। তখন গনেশ তার পুত্র যদুকে জোর করে মুসলিম বানায় এবং পাপেট হিসাবে ক্ষমতায় বসায়। ইব্রাহিম শার্কি চলে গেলে গনেশ আবার ক্ষমতা নিয়ে আগের রুপে আসে এবং আবারও মুসলিমদের উপর অত্যাচার শুরু করে।
.
যদুকে আবারও হিন্দু বানানোর জন্য সে স্বর্নের গরুর মুর্তি বানিয়ে যজ্ঞ করে। কিন্তু এইবার যদু বেকে বসে। সে হিন্দু হতে অস্বীকার করলে গনেশ যদুকে জেলে ঢুকিয়ে রাখে। বলা হয় বাংলায় অরাজের সুযোগে শক্তিশালি আমর্ত্যদের সাহায্যে যদু তার পিতার মৃত্যু হলে বাংলার ক্ষমতা নিজের আয়ত্বে নেয়। সে জালাল উদ্দিন মুহাম্মাদ শাহ নাম দিয়ে তার ১৭ বছরের ঐতিহাসিক বাংলা শাসনের শুরু করে। বাংলার সুলতানদের মধ্যে তিনিই প্রথম মক্কা ও মদীনায় অর্থ প্রেরণ করে সেখানকার খলিফার স্বীকৃতি আদায় করেছিলেন। পিতা যত মসজিদ ভেঙ্গেছিল , তিনি তার দ্বিগুন মসজিদ তৈরি করেন।

প্রাচীন প্রবাদ রয়েছে, "যথা রাজা, তথা প্রজা"। রাজা গণেশের মতো প্রতাপশালী হিন্দু রাজার ছেলের স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ তৎকালীন হিন্দু সমাজে বিশাল মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলেছিল। ইতিহাসবিদদের মতে, রাজার পদাঙ্ক অনুসরণ করে সেসময় বহু উচ্চপদস্থ হিন্দু রাজকর্মকর্তা এবং সাধারণ মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। রাষ্ট্রীয় আনুকূল্য, সামাজিক মর্যাদা লাভ এবং বর্ণপ্রথার প্রভাব থেকে মুক্ত হতে এই সময়ে ব্যাপক ধর্মান্তরের ঘটনা ঘটে। জালালউদ্দিন কেবল ধর্ম পরিবর্তনই করেননি, তিনি বাংলার স্থানীয় সংস্কৃতির সাথে ইসলামী প্রশাসনের এক চমৎকার মেলবন্ধন ঘটিয়েছিলেন। তিনি ফার্সি ও আরবি ভাষার পাশাপাশি স্থানীয় বাংলা ভাষারও পৃষ্ঠপোষকতা করেন। তার এই স্থানীয়করণের নীতির কারণে সাধারণ হিন্দু-বৌদ্ধ কৃষক ও মজুর শ্রেণি মুসলিম শাসনকে নিজেদের শাসন বলে মেনে নেয়, যা সামাজিক স্তরে ইসলামের প্রসারকে আরও দ্রুত ও সহজ করে দেয়।
.
ব্রিটিশ ঐতিহাসিক জেমস ওয়াইজ তার এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেংগল (১৮৯৪) বই তে উল্লেখ করেন "তার শাসনে বাংলায় যত মানুষ মুসলিম হয়, তা পরবর্তী ৩০০ বছরের চাইতেও বেশী" । গোটা দক্ষিন এশিয়াতে একমাত্র মুসলিম বাংলার পেছনে তার অবদান আছে।
.
Collected

শতশত দেশপ্রেমিক বাংলাদেশীকে হত্যা করেছিলো আওয়ামী লিগ আর ইন্ডিয়া যৌথভাবে


মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে  শতশত দেশপ্রেমিক বাংলাদেশীকে  হত্যা করেছিলো আওয়ামী লিগ আর ইন্ডিয়া যৌথভাবে। শরনার্থীদের রিলিফের টাকা আর বাংলাদেশকে বিকিয়ে দেয়ার ৭ দফা গোলামি চুক্তিসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে ডকুমেন্টারি তৈরি করেন জহির রায়হান। তখনো তিনি তা প্রকাশ করেননি। আওয়ামীরা ডকুমেন্টারির ব্যাপারে জেনে যায় এবং তা প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ আসতে থাকে।  ইতিমধ্যেই তার ভাই শহীদুল্লাহ কায়সার গুমের শিকার হন।  জহির রায়হান নিশ্চয়ই জানতেন এই গুমের পেছনে কারা জড়িত। ভাইকে ফেরৎ পাওয়ার জন্য তিনি এই ডকুমেন্টারি প্রকাশের হুমকি দেন। তখন কিন্তু দেশ স্বাধীন হয়ে গেছে। দেশ চালায় ইন্ডিয়া। মিরপুর থানা ইন্ডিয়ান বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে।  থানা থেকে ফোন আসে ভাইকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। ভাইকে ফেরৎ আনতে থানায় গিয়ে গুম হন জহির রায়হান।
সাগর-রুনি দম্পতি সাংবাদিক হিসেবে নিশ্চয়ই জানতেন পিলখানা হত্যাকান্ডের পেছনে কারা জড়িত। দেশপ্রেমিক হিসেবে এই রহস্য জনসমক্ষে আনার জন্য ডকুমেন্টারি তৈরি করেন। আর প্রকাশের আগেই আওয়ামী লিগ ও ইন্ডিয়ার অপকর্ম গোপন রাখতেই নৃশংসভাবে তাদের খুন করা হয়।
কপি

Facebook Meta
#Jahirraihan #sagarruni #AwamiLeague #AwamiLeague  #KillerHasina

Saturday, August 29, 2026

The main reason why Pakistan lost in 1971


Question: 
One of the reasons why #Pakistan lost in 1971 was the distance from #Bangladesh to the main Pakistan. If #India attacks us this time, how will Pakistan overcome that distance barrier, meaning what is their military strategy this time?

Answer: 

The main reason why Pakistan lost in 1971 was not distance. Pakistan lost due to the rebellion of the East Bengal Regiment and EPR. Pakistan created the EPR and East Bengal Regiment to protect East Pakistan. Those two forces, instead of protecting East Pakistan in 1971, started a proxy war on behalf of India. 

When the soldiers of their own army kill their commanding officer and rape his 8-month-old pregnant wife, then no army in the world can win a war. When an officer of their own air force renders his subordinate student unconscious with chloroform, kidnaps the student and hijacks the plane, then even the most powerful air force in the world is bound to collapse. 

The ratio of Bengalis and West Pakistanis at the pilot level of the Pakistan Air Force was about 40 vs 60. After the Matiur Rahman incident, the Pakistan Air Force did not dare to give planes to any Bengalis. As a result, it could not fly skilled pilots and planes like Saiful Azam. When the best pilots of its own air force have to be kept in place, then the war cannot be won. 

The Mecca Agreement will work only if the Bangladesh Army and the BGB resist. But it turned out that at the beginning of the war, these two forces sided with India like in 71, then no agreement will work. If the East Bengal Regiment and EPR had not rebelled, Pakistan would not have lost in 71.

প্রশ্নঃ 
একাত্তরে পাকিস্তান হেরে যাবার অন্যতম কারণ মূল পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের দুরত্ব। এবার যদি ভারত আমাদের আক্রমণ করে, তাহলে পাকিস্তান কীভাবে সেই দুরত্বের বাঁধা অতিক্রম করবে, মানে তাদের এবারের সামরিক স্ট্রেটেজিটা কী?

উত্তরঃ 

৭১ সালে পাকিস্তানের হেরে যাবার প্রধান কারণ  দূরত্ব ছিল না। পাকিস্তান  হেরেছিল ইস্ট বেংগল রেজিমেন্ট ও ইপিআর এর বিদ্রোহের কারণে। পূর্ব পাকিস্তানকে রক্ষা করার জন্য পাকিস্তান ইপিআর আর ইস্ট বেংগল রেজিমেন্ট তৈরি করেছিল। সেই দুই বাহিনী ৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানকে রক্ষা করার বদলে নিজেরাই ভারতের হয়ে প্রক্সি যুদ্ধ শুরু করে। 

যখন নিজ সেনাবাহিনীর জওয়ানরা তাদের কমান্ডিং অফিসারকে হত্যা করে, তার ৮ মাস বয়সী প্রেগন্যান্ট স্ত্রীকে রেপ করে, তখন দুনিয়ার কোন সেনাবাহিনীর পক্ষেই যুদ্ধে জেতা সম্ভব না। যখন নিজ বিমান বাহিনীর অফিসার তার অধঃস্থন ছাত্রকে ক্লোরোফরম দিয়ে অজ্ঞান করে, ছাত্রকে অপহরণ করে এবং বিমান ছিনতাই করে, তখন দুনিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী বিমান বাহিনীও ভেঙ্গে পড়তে বাধ্য। 

পাকিস্তান বিমান বাহিনীর পাইলট পর্যায়ে বাঙ্গালি আর পশিম পাকিস্তানির অনুপাত ছিল প্রায় ৪০ বনাম ৬০। মতিউর রহমানের ঘটনার পরে, পাকিস্তান বিমান বাহিনী আর কোন বাঙ্গালীকে বিমান দেবার সাহস করছিল না। ফলে সাইফুল আজমের মত দক্ষ বৈমানিক ও বিমান উড়াতে পারে নাই। যখন নিজ বিমান বাহিনীর সেরা পাইলটকে বসিয়ে রাখতে হয়, তখন যুদ্ধে আর জেতা যায় না। 

মক্কা চুক্তি তখনই কাজে দিবে যখন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিজিবি প্রতিরোধ করবে। কিন্ত দেখা গেল যুদ্ধ শুরুর সময়ে এই দুই বাহিনী ৭১ এর মত করে ভারতের পক্ষে চলে গেল, তাহলে কোন চুক্তি কাজে দিবে না। যদি ইস্ট বেংগল রেজিমেন্ট ও ইপিআর বিদ্রোহ না করত, তবে পাকিস্তান ৭১ সালে হারত না।

Friday, August 7, 2026

💔 ড. আফিয়া সিদ্দিকী: উম্মাহর হৃদয়ে জমে থাকা এক অশ্রুভেজা ইতিহাস 💔



💔 ড. আফিয়া সিদ্দিকী: উম্মাহর হৃদয়ে জমে থাকা এক অশ্রুভেজা ইতিহাস 💔

ড. আফিয়া সিদ্দিকী— একটি নাম, যা শুধু একজন মেধাবী নিউরোসায়েন্টিস্টের পরিচয় নয়; বরং মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে জমে থাকা এক গভীর ব্যথা, এক অশ্রুভেজা ইতিহাস।

তাঁর জীবনের সবচেয়ে আলোচিত আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার কথা বলা হয় একটি স্বপ্নকে কেন্দ্র করে— যেখানে তিনি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে দেখেন। স্বপ্নে তিনি কাঁদতে কাঁদতে জিজ্ঞেস করেন— “আমি এখানে আর কতদিন থাকব? আমার এই দুর্দশা কবে শেষ হবে?” তখন নবীজি (সা.) তাঁকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন— “এটি তোমার পরীক্ষা নয়, এটি আমার উম্মতের পরীক্ষা।”

এই একটি বাক্যই যেন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত কষ্টের ব্যাখ্যা নয়— বরং পুরো উম্মাহর জন্য এক গভীর বার্তা। অন্যায়, নির্যাতন, এবং নীরবতার বিরুদ্ধে এক নীরব চিৎকার।

আফিয়া সিদ্দিকী ছিলেন একজন অত্যন্ত মেধাবী বিজ্ঞানী। তাঁর স্বপ্ন ছিল ইসলামি মূল্যবোধে জ্ঞানচর্চা করা, কুরআনের আলোকে সমাজকে আলোকিত করা, এবং মুসলিম বিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (MIT) এবং ব্র্যান্ডাইস ইউনিভার্সিটির মতো বিশ্বখ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চতর ডিগ্রিধারী এই বিজ্ঞানীর মেধা ও যোগ্যতা ছিল অনন্য।

কিন্তু সময়ের নিষ্ঠুর পরিহাসে তাঁর সেই স্বপ্নগুলো বন্দি হয়ে পড়ে এক অন্ধকার প্রকোষ্ঠে।আজ টেক্সাসের কার্সওয়েল ফেডারেল মেডিকেল সেন্টারের নির্জন সেল থেকে ড. আফিয়ার যে আর্তনাদ ভেসে আসে, তা কেবল একজন বন্দি নারীর ক্রন্দন নয়। এটি বিশ্ববিবেক এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর চরম ব্যর্থতার এক জীবন্ত দলিল। যে মেধা বিশ্বমানবতার কল্যাণে নিয়োজিত হতে পারত, তা আজ বছরের পর বছর ধরে অন্যায় ও নির্মম নির্যাতনের শিকার।

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সেই ঐতিহাসিক স্বপ্নবাণী আজ প্রতিটি বিবেকবান মুসলিমকে এক কঠিন কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দেয়। "এটি আমার উম্মতের পরীক্ষা"— এই বাক্যটি প্রমাণ করে যে, ড. আফিয়া সিদ্দিকী আজ কেবল একজন ব্যক্তি নন, বরং তিনি নির্যাতিত মুসলিম উম্মাহর এক প্রতীকী কণ্ঠস্বর। তাঁর এই দীর্ঘ বন্দিত্ব আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এবং মজলুমের পাশে দাঁড়ানো পুরো উম্মতের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব। আল্লাহ উনাকে মুক্তি দান করুন। আমীন। 🤲

#DrAafiaSiddiqui #FreeAafiaSiddiqui #MuslimUmmah #JusticeForAafia #HumanRights #IslamicValues

লালবাগ কেল্লার মোড়



🕰️ ২১০ বছরের ব্যবধানে—একই জায়গা, বদলে গেছে শুধু সময়! ❤️
১৮১৬ সালের চার্লস ডি'অয়লির আঁকা স্কেচ আর ২০২৬ সালের লালবাগ কেল্লার মোড়—দুটি ছবির মাঝে প্রায় ২১০ বছরের ইতিহাস। চারপাশ বদলে গেলেও মুঘল আমলের সেই ঐতিহাসিক বুরুজ আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

একসময় এই বুরুজের পাশ দিয়েই বয়ে যেত বুড়িগঙ্গা নদী। নদীপথে শত্রুর গতিবিধি নজরে রাখতে এখানে বসানো ছিল কামান। আজ সেখানে নদীর ঢেউয়ের বদলে শোনা যায় রিকশা আর গাড়ির ব্যস্ত শহরের শব্দ।

আপনি কি জানতেন লালবাগ কেল্লার এই ইতিহাস? কমেন্টে আপনার মতামত জানান। ❤️

📍 লোকেশন: লালবাগ কেল্লা মোড়, পুরান ঢাকা

#পুরান_ঢাকা #লালবাগ_কেল্লা #OldDhaka

১৮৮০ সালের বাবুবাজার ঘাট ও ঐতিহাসিক বাবুবাজার ঘাট মসজিদ 🕌



📜 ১৮৮০ সালের বাবুবাজার ঘাট ও ঐতিহাসিক বাবুবাজার ঘাট মসজিদ 🕌

পুরান ঢাকার ইতিহাসের এক দুর্লভ সাক্ষী—১৮৮০ সালের এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে বাবুবাজার ঘাট, যার পাশেই দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক বাবুবাজার ঘাট মসজিদ। সময় বদলেছে, চারপাশ বদলেছে, কিন্তু এই স্থান আজও বহন করে চলেছে পুরান ঢাকার সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের স্মৃতি।

💬 আপনি কি জানেন, এই ঐতিহাসিক মসজিদটি আজও কোথায় অবস্থিত? কমেন্টে জানান।

#পুরান_ঢাকা #বাবুবাজার_ঘাট #OldDhaka

পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক বড় কাটারা — ১৯০৬ সাল 📜



🏛️ পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক বড় কাটারা — ১৯০৬ সাল 📜

এক শতাব্দীরও বেশি সময় আগে ধারণ করা এই দুর্লভ আলোকচিত্র আমাদের পরিচয় করিয়ে দেয় পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বড় কাটারার সঙ্গে। মুঘল আমলের এই স্থাপনাটি একসময় বণিক, ভ্রমণকারী ও অতিথিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরাইখানা হিসেবে ব্যবহৃত হতো। শত বছরের ইতিহাস বুকে ধারণ করে আজও বড় কাটারা আমাদের অতীতের গৌরবময় স্মৃতির নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

🕌 ইতিহাসকে ভালোবাসুন, ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করুন।

📍স্থান: বড় কাটারা, পুরান ঢাকা
📅 সাল: ১৯০৬

আপনার কি কখনও বড় কাটারা ঘুরে দেখার সুযোগ হয়েছে? মন্তব্যে আপনার অভিজ্ঞতা জানাতে ভুলবেন না। ❤️
#পুরান_ঢাকা #বড়_কাটারা #OldDhaka