আপনি একজন নাস্তিক, কাফের এবং মুশরেক কে সহজে চিনতে পারবেন। ফলে তার ব্যাপারে আপনি সতর্ক থাকতে পারবেন।
কিন্তু আপনি কোন সেকুলারকে সহজে চিনতে পারবেন না । সেকুলারদেরকে মুনাফেক বলা যায় । সেকুলাররা একই সাথে আল্লাহ্র প্রভুত্ব মানে, আবার একই সাথে অস্বীকারও করে। সেকুলাররা ব্যাক্তি জীবনে আল্লাহ্র প্রভুত্ব মানে, আবার একই সাথে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে আল্লাহ্র প্রভুত্বকে অস্বীকার করে।
মক্কার কাফের মোশরেকরাও আধুনিক অর্থে সেকুলার ছিল। বিশ্বজগতের সৃষ্টিকর্তা যে আল্লাহ তা’আলা এটা তারা সর্বান্তঃকরণে মানতো। আল কোরআনে তাদের এই সেকুলার চরিত্রের কথা সুস্পষ্ট ভাবে বর্ণিত আছে-
“জিজ্ঞাসা কর, ‘এই পৃথিবী এবং এর মধ্যে যা আছে তা কার, যদি তোমরা জানো?’ তারা বলবে ‘আল্লাহর’। বল, ‘তবুও কি তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করবে না?’
জিজ্ঞাসা কর, ‘কে সপ্ত আকাশ এবং মহা আরশের অধিপতি?’ তারা বলবে ‘আল্লাহ’।
বল, ‘তবুও কি তোমরা ভয় করবে না?’
জিজ্ঞাসা কর, ‘সকল কিছুর কর্তৃত্ব কার হাতে, যিনি আশ্রয় দান করেন এবং যার উপরে আশ্রয়দাতা নেই, যদি তোমরা জান?’
তারা বলবে ‘আল্লাহর’। বল, ‘তবুও তোমরা কেমন করে মোহগ্রস্থ হয়ে আছ?’”
(সূরা মু’মিনুন ৮৪-৮৯)
অনেক সেকুলার আছে মুসলমানদের মত দেখতে, কিন্তু আদতে তারা ইসলামের সব চেয়ে বড় শত্রু।
আর এই যুগে ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রুর নাম- সেকুলারিজম।
➖ লতিফুল ইসলাম শিবলী।
সাম্প্রদায়িকতার উজ্জল দৃস্টান্ত ঢাবি। কুরআন তিলোয়াতের জন্য কৈফিয়ত তলব করা হয় আর রমজানে মুসলমান দেশে শিক্ষা প্রতিস্টানে হোলি উৎসবে কৈফিয়ত তলব হয়না? কেউ বলেনা দেশ ত ভারত হয়ে গেল? বট বৃক্ষের কাছে কেউ ক্ষমাও চায় না? ঢাবির এই সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবী করছি। তারাই দেশে সাম্প্রদায়িকতার বীজ বপন করতেছে।
হোলি উৎসব হিন্দুদের। তারা তাদের মত পালন করুক।যেসব মোনাফেক মুসলমান অংশগ্রহন করেছে তাদের উপর আল্লাহর লানত।



