Search This Blog

Saturday, March 30, 2024

এই যুগে ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রুর নাম- সেকুলারিজম।


এই যুগে ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রুর নাম- সেকুলারিজম।

আপনি একজন নাস্তিক, কাফের এবং মুশরেক কে সহজে চিনতে পারবেন। ফলে তার ব্যাপারে আপনি সতর্ক থাকতে পারবেন।

কিন্তু আপনি কোন সেকুলারকে সহজে চিনতে পারবেন না । সেকুলারদেরকে মুনাফেক বলা যায় । সেকুলাররা একই সাথে আল্লাহ্‌র প্রভুত্ব মানে, আবার একই সাথে অস্বীকারও করে। সেকুলাররা ব্যাক্তি জীবনে আল্লাহ্‌র প্রভুত্ব মানে, আবার একই সাথে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে আল্লাহ্‌র প্রভুত্বকে অস্বীকার করে।

মক্কার কাফের মোশরেকরাও আধুনিক অর্থে সেকুলার ছিল। বিশ্বজগতের  সৃষ্টিকর্তা যে আল্লাহ তা’আলা এটা তারা সর্বান্তঃকরণে মানতো। আল কোরআনে তাদের এই সেকুলার চরিত্রের কথা সুস্পষ্ট ভাবে বর্ণিত আছে-

 “জিজ্ঞাসা কর, ‘এই পৃথিবী এবং এর মধ্যে যা আছে তা কার, যদি তোমরা জানো?’ তারা বলবে ‘আল্লাহর’। বল, ‘তবুও কি তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করবে না?’
 জিজ্ঞাসা কর, ‘কে সপ্ত আকাশ এবং মহা আরশের অধিপতি?’ তারা বলবে ‘আল্লাহ’।
বল, ‘তবুও কি তোমরা ভয় করবে না?’ 
জিজ্ঞাসা কর, ‘সকল কিছুর কর্তৃত্ব কার হাতে, যিনি আশ্রয় দান করেন এবং যার উপরে আশ্রয়দাতা নেই, যদি তোমরা জান?’ 
তারা বলবে ‘আল্লাহর’। বল, ‘তবুও তোমরা কেমন করে মোহগ্রস্থ হয়ে আছ?’”

(সূরা মু’মিনুন  ৮৪-৮৯)  

অনেক সেকুলার আছে মুসলমানদের মত দেখতে, কিন্তু আদতে তারা ইসলামের সব চেয়ে বড় শত্রু।
আর এই যুগে ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রুর নাম- সেকুলারিজম।

➖ লতিফুল ইসলাম শিবলী। 

সাম্প্রদায়িকতার উজ্জল দৃস্টান্ত ঢাবি। কুরআন  তিলোয়াতের জন্য কৈফিয়ত তলব করা হয় আর রমজানে মুসলমান দেশে শিক্ষা প্রতিস্টানে হোলি উৎসবে কৈফিয়ত তলব হয়না? কেউ বলেনা দেশ ত ভারত হয়ে গেল? বট বৃক্ষের কাছে কেউ ক্ষমাও চায় না? ঢাবির এই সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবী করছি।  তারাই দেশে সাম্প্রদায়িকতার বীজ বপন করতেছে।
হোলি উৎসব হিন্দুদের। তারা তাদের মত পালন করুক।যেসব মোনাফেক মুসলমান অংশগ্রহন করেছে তাদের উপর আল্লাহর লানত।

Friday, March 8, 2024

খি*লা*ফ^তের পতনের এখন ১০০ বছর 💔



১৯২৪ সালের আজকের এই দিনে, ও*স^মা^নীয় সা*ম্রা*জ্যের খলি*ফা দ্বিতীয় আব্দুল ম*জিদের সিং*হাস*নচ্যুতির মাধ্যমে মুস*লমানদের খি*লা*ফতের অবসান ঘটে।

খি*লা*ফ^তের পতনের এখন ১০০ বছর 💔


১৯২৪ সালের আজকের এই দিনে, ও*স^মা^নীয় সা*ম্রা*জ্যের খলি*ফা দ্বিতীয় আব্দুল ম*জিদের সিং*হাস*নচ্যুতির মাধ্যমে মুস*লমানদের খি*লা*ফতের অবসান ঘটে।

সম্রাট আওরঙ্গজেব ৪৯ বছর ধরে ভারত শাসন


সম্রাট আওরঙ্গজেব ৪৯ বছর ধরে ভারত শাসন করেছেন। তাঁর সাম্রাজ্যের আয়তন ছিল ৪০ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার। বলতে গেলে, ভারতবর্ষের প্রায় সম্পূর্ণ এলাকা ছিল তার রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত। প্রজার সংখ্যা ছিল ১৫ কোটি ৮০ লক্ষ।

আওরঙ্গজেব বছরে রাজস্ব আদায় করতেন ৪৫০ মিলিয়ন ইউ এস ডলার। ঐ সময়ে ফ্রান্সের সম্রাট ছিলেন চতুর্দশ লুই। লুই এর চেয়ে আওরঙ্গজেব এর রাজ্যে দশগুণ বেশি রাজস্ব আদায় হত। 

তাঁর অধীনে ভারতবর্ষের অর্থনীতি ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অর্থনীতি। ১৭০০ সালে তিনি ভারতবর্ষের অর্থনীতিকে ৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করেন। ভারতবর্ষের জিডিপি ছিল পুরো পৃথিবীর জিডিপির চার ভাগের এক ভাগ।

১৭০৭ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান আওরঙ্গজেব ৮৮ বছর বয়সে নিজের সম্পত্তির একটা উইল তৈরী করলেন। মৃত্যুর পরে উইলে দেখা গেল- তাঁর কাছে ১৪ রুপি আর নিজ হাতে বোনা কিছু টুপি আছে। এগুলো বিক্রি করে তাঁর জানাযা আর দাফনে খরচ করতে বলেছেন। আর সারাজীবন কুরআন শরীফ নকল করে ৩০০ রূপি জমিয়েছেন। এই টাকাগুলো 
গরীবদের মাঝে দান করে দিতে বলেছেন।

দরবার আর রাজকোষে খোঁজ নিয়ে দেখা গেল- উইলের বাইরে সম্রাটের কোথাও কোনো সম্পদ নেই।
#collected

Friday, March 1, 2024

কচ্ছপ আর খরগোশের গল্পটা আমরা সবাই জানি?


কচ্ছপ আর খরগোশের গল্পটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা গল্পের শুধু প্রথম অংশটাই পড়েছি।
এই গল্পের আরো ৩ টি অধ্যায় আছে! যা হয়তো আমরা কেউ কেউ পড়েছি বা শুনেছি, কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই পড়িনি।

গল্পের বাকি অংশটুকু এবার জেনে নেই তাহলে🥰🥰

🔰১ম অংশ:
এই অংশটা আমরা ছোটবেলায় বইয়ে পড়ছি। এখানে খরগোশ ঘুমিয়ে যায়, আর কচ্ছপ জিতে যায়। প্রথমবার হেরে যাওয়ার পর খরগোশ বিশ্লেষণ করে দেখল তার পরাজয়ের মূল কারণ 'অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।' তারমানে অতি আত্মবিশ্বাস যে কারো জন্যই ক্ষতিকর। আর কচ্ছপ বুঝল, লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই!

🔰২য় অংশ:
হেরে যাওয়ার পর এবার খরগোশ আবারো কচ্ছপকে দৌড় প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ করল আর কচ্ছপও রাজী হল। 

এবার খরগোশ না ঘুমিয়ে দৌড় শেষ করল এবং জয়ী হল। খরগোশ বুঝল, মন দিয়ে নিজের সামর্থের পুরোটা দিয়ে কাজ করলে দ্রুত সফল হওয়া যায়। 

আর কচ্ছপ বুঝল, ধীর স্থির ভাবে চলা ভালো, তবে কাজে উপযুক্ত গতি না থাকলে প্রতিযোগীতা মূলক পরিবেশে জয়ী হওয়া অসম্ভব!

🔰৩য় অংশ:
কচ্ছপ এবার খরগোশকে আরেকবার দৌড় প্রতিযোগিতার আমন্ত্রন জানালো। খরগোশও নির্দিধায় রাজী হয়ে গেল। তখন কচ্ছপ বলল, "একই রাস্তায় আমারা ২ বার দৌড়েছি, এবার অন্য রাস্তায় হোক।" খরগোশও রাজী। অতএব নতুন রাস্তায় দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হল। 

যথারীতি খরগোশ জোরে দৌড় শুরু করে দিল। কচ্ছপও তার পিছন পিছন আসতে শুরু করল। কচ্ছপ যখন খরগোশ এর কাছে পৌঁছাল, দেখল খরগোশ দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দৌড়ের শেষ সীমানায় যেতে পারেনি। 

কারণ দৌড়ের শেষ সীমানার আগে একটি খাল আছে। কচ্ছপ খরগোশ এর দিকে একবার তাকালো, তারপর তার সামনে দিয়ে পানিতে নেমে খাল পার হয়ে দৌড়ের শেষ সীমানায় পৌছে প্রতিযোগিতা জিতে গেল।

খরগোশ বুঝল, শুধু নিজের শক্তির উপর নির্ভর করলেই হবে না, পরিস্থিতি আর বাস্তবতা অনুধাবন করাও ভীষণ প্রয়োজনীয়! আর কচ্ছপ বুঝল, প্রথমে প্রতিযোগীর দূর্বলতা খুজে বের করতে হবে, তারপর সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।

গল্প কিন্তু এখানেই শেষ নয়‼️

🔰চতুর্থ অংশ: 
এবার খরগোশ কচ্ছপকে আরেকটি দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য আহবান জানালো এই একই রাস্তায়। কচ্ছপ ও রাজী। কিন্তু এবার তারা ঠিক করল, প্রতিযোগী হিসেবে নয়, বরংএবারের দৌড়টা তারা দৌড়াবে সহযোগী হিসেবে!

শুরু হল প্রতিযোগিতা। খরগোশ কচ্ছপকে পিঠে তুলে দৌড়ে খালের সামনে গিয়ে থামলো।এবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠ থেকে নেমে খরগোশকে নিজের পিঠে নিয়ে খাল পার হল।তারপর আবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠে উঠে বাকী দৌড় শেষ করল আর এবার তার দু জনই একসাথে জয়ী হল।

📚এখান থেকে আমরা আসলে কি শিখলাম?

আমরা শিখলাম, ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকা খুবই ভালো। কিন্তু দলবদ্ধ হয়ে একে অপরের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলেই আসে সত্যিকারের সাফল্য যেখানে সবাই বিজয়ীর হাসি হাসতে পারে।