কাল থেকেই হাওয়া থেকে, আসমান থেকে দুর্নীতি বা নারী কেলেঙ্কারির নিউজ আসতে থাকবে। ফরম্যাট এক থাকবে। নিউজ এক থাকবে। খালি মিডিয়া আলাদা।
বাট ফ্যাক্ট কী জানেন?
যেই মিটিং থেকে উঠে আসছে, ঐটা এক্সেপ্ট করলেই ৫০০০ কোটির ফান্ড পাইয়া যাইতো।
বোকা মানুষ।
টাকাও ছাইড়া আসছে। এখন আবার ঐ দুর্নীতির নিউজেই ফাঁসবে।
বাংলাদেশে এমনই হয় সাধারণত। আজ পর্যন্ত ঐ প্রেসক্রিপশনের বাইরে গিয়ে কেউ রাজনীতি করতে পারে নাই।
হাসনাত পারলে ভালো। না পারলে ছেলেমেয়েদের আজকের এই গল্পটা শোনাবো আমি। শোনাবো আমাদের এক জার্সি পরা ক্যাপ্টেন ছিলো...।
হ্যা, কাপ্তানই তো। যখন হাজার কোটির ডিলিংসে ক্যাশপ্রেমিকরা দেশপ্রেমিকের সার্টিফিকেট বিক্রি করেছে, তখন এই ছেলেটা একটা জার্সি পরে সেইটা সবাইকে বলে দিয়েছে।
সবাই যখন ক্যাশ নিয়ে আরো আরামের জীবনের খোঁজে ব্যস্ত ছিলো, এই ছেলেটা তখন সাহস করে বলেছিল, যদি মরে যাই, সবাই জানুক, কেন মরতে হয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনীতি গরীবের হক মেরে আরো ভালো করে বাঁচার রাজনীতি। এই রাজনীতিতে মরার জন্য খুব কম মানুষই এসেছে আজ পর্যন্ত। হাসনাত ঐ কম মানুষদেরই একজন।
স্যালুট, ক্যাপ্টেন বাংলাদেশ!
— সাদিকুর রহমান খান।

