I'm Raihan Ferdous Khan.i'm just an ordinary man .I just want the world we are living will be same workable for every human beings..
Search This Blog
Wednesday, November 17, 2021
মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী.....
I'm Raihan Ferdous Khan.i'm just an ordinary man .I just want the world we are living will be same workable for every human beings..
I am just a father of a cute daughter....
Saturday, November 13, 2021
তেলের দাম ও ভাড়া বৃদ্ধির অনুপাতের অঙ্ক কেউ করল না কেন?
তেলের দাম কেন বেড়েছে? আমার ফেসবুকের পোস্টের নিচে এই মন্তব্য থাকে যে আমরা সারাক্ষণ তেল দিই, তাই তেলের দাম বাড়ে! এ ব্যাপারে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ‘তৈল’ লেখাটা ১৪ দিন আগের লেখায় খানিকটা উদ্ধৃত করেছিলাম।
এবার আমরা একটা সরল অঙ্ক কষব। ৬৫ টাকার ডিজেলের দাম হয়েছে ৮০ টাকা। ৬৫ টাকায় বেড়েছে ১৫ টাকা। শতকরা বাড়ল কত? (১৫/৬৫) x ১০০ = ২৩.০৭। অর্থাৎ দেশে ডিজেলের দাম বেড়েছে ২৩ ভাগ। কিন্তু এর ফলে একটা বাসের টিকিটের দাম কী করে ২৭ ভাগ কিংবা ৩০ ভাগ বাড়বে!
ধরা যাক, একটা বাসের ক্রয়মূল্য ৬০ লাখ টাকা। পাঁচ বছর এই বাসটা চলবে। তাহলে প্রতি মাসে বাসের ক্রয়মূল্য এক লাখ টাকা। ধরা যাক, বাসটায় কর্মচারী আছেন পাঁচজন। তাঁদের মাসিক বেতন এক লাখ টাকা। রুট পারমিট, মেরামতি খরচ, গ্যারেজ খরচ, সার্ভিস চার্জ, লাইসেন্স নবায়ন খরচ মাসে আরও ২০ হাজার টাকা। এর রোজ তেল লাগে তিন হাজার টাকা। তাহলে মাসে তেলের খরচ ৯০ হাজার টাকা। মাসে মোট খরচ আগে ছিল ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মাসে এখন তেলের খরচ বেশি লাগে ৯০ x .২৩ = ২০.৭ হাজার টাকা। তাহলে এখন মাসিক খরচ দাঁড়াচ্ছে ৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা। মাসিক খরচ ৩ লাখ ১০ হাজার টাকার চেয়ে এখন ২১ হাজার টাকা বেড়ে গেছে। শতকরা হারে বেড়েছে (২১/৩১০) x ১০০ = ৬.৭৭। অর্থাৎ বাসভাড়া বাড়তে পারে ৬.৭৭ ভাগ।
অনেকগুলো উপাদানের মধ্যে মাত্র একটি উপাদানের খরচ বেড়ে যাওয়ায় সেটির শতকরা বৃদ্ধির সমান খরচ বা তারও বেশি খরচ পুরো জিনিসটার বাড়ে না। একটা উদাহরণ দিই। ধরুন, একজন একটা ডিম ভাজা বিক্রি করেন ২০ টাকায়। ডিমের দাম ১০ টাকা। পেঁয়াজ, মরিচ, নুনের দাম দুই টাকা। তেলের দাম এক টাকা। এখন এই তেলের দাম হয়েছে ১ টাকা ২৩ পয়সা। তাতে তিনি ডিম ভাজার দাম ২০ টাকা ২৩ পয়সা রাখতে পারেন। কিন্তু পুরো ডিম ভাজার দাম ২০ x .২৩ = ৪.৬০ টাকা বাড়াতে পারেন না। এখন তিনি ডিম ভাজার দাম ২৪ টাকা ৬০ পয়সা রাখতে পারেন না। কারণ, তাঁর খরচ আসলে বেড়েছে শুধু ২৩ পয়সা। তঁাকে ডিমের দাম রাখতে হবে ২০ টাকা ২৩ পয়সা।
এখন আসছে দ্বিতীয় প্রশ্ন। যাঁরা তেলের দাম বাড়ান, তাঁদের একটা অকাট্য যুক্তি আছে। আর তা হলো, যদি বাংলাদেশে তেলের দাম প্রতিবেশী দেশের তুলনায় বেশি হয়, তাহলে আমাদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রায় কেনা তেল প্রতিবেশী দেশে পাচার হয়ে যায়, যা আমাদের জন্য সমূহ ক্ষতি আর বেদনার কারণ। আমরা এই বেদনা বুঝি। আমরা ফরেন কারেন্সি দিয়ে বিদেশ থেকে তেল এনে ভর্তুকি দিয়ে কৃষককে কিংবা পরিবহন খাতকে দেব বলে দাম কমিয়ে রাখছি, সেই কষ্টার্জিত তেল চলে যাবে প্রতিবেশী দেশে, ভর্তুকির গুড় পিঁপড়ায় খাবে, তা হতে দেওয়া যায় না। সে ক্ষেত্রে কি আমরা একটা কথা বলতে পারি! আমাদের সীমান্তগুলোকে নিশ্ছিদ্র করুন। আমরা তেলের বদলে গরু চাই না। আমাদের চাষিরা এরই মধ্যে দেশেই গরু-ছাগল উৎপাদন করে দেশকে লাইভস্টকের ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে ফেলেছেন। আর যা যা আমাদের প্রতিবেশী দেশ থেকে বা দূরদেশ থেকে আমদানি করতে হবে, তা আমরা নিয়মকানুন মেনে কর-শুল্ক দিয়ে আনব। তাতে আমাদের অর্থনীতি পুষ্ট হবে।

I'm Raihan Ferdous Khan.i'm just an ordinary man .I just want the world we are living will be same workable for every human beings..
I am just a father of a cute daughter....
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস
প্রথমেই আমি বলতে চাই আমি কোন দলের পক্ষে বক্তব্য রাখতেছি না।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে ঘটে যাওয়া জেল হত্যার বিশ্লেষণ ; হতেও পারে সত্যান্বেষী তরুণ প্রজন্মের পথপ্রদর্শক...
যে ২২টি বিষয় তরুণ-প্রজন্মকে জানতেই হবেঃ
১. ১৫ অগাষ্ট হত্যার পর বাকশাল নেতা মোশতাক রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নেন। গঠন করেন মন্ত্রীসভা। বাকশাল মন্ত্রীসভার প্রায়সকলে মোশতাকের মন্ত্রীসভার সভায় ছিলেন।
২. মোশতাক সারাদেশে সামরিক আইন জারি করেন। ঐ সময় সেনাপ্রধান ছিলেন শফিউল্লাহ।
৩. মুক্তিযোদ্ধা জিয়া সে সময় সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ ছিলেন।
৪. ১৫ অগাষ্টের পরে মোশতাকের মন্ত্রীসভার শপথ অনুষ্ঠানে যাননি জিয়াউর রহমান। বিজয়ীর বেশে গিয়েছিল তাহের-ইনু বাহিনী এবং তৎকালীন মুজিব বিরোধী নেতারা।
৫. ১৫ অগাষ্টের পরেও কমপক্ষে দশ দিন, অর্থাৎ ২৪শে আগাষ্ট পর্যন্ত জেনারেল শফিউল্লাহ ছিলেন সেনা প্রধান।
৬. রাষ্ট্রদূত হিসাবে সরকারি চাকুরী কনফার্ম করারপর 'সেনাপ্রধান' পদ ছাড়েন শফিউল্লাহ। এরপর যথা নিয়মে ডেপুটি চীফ অব ষ্টাফ থেকে প্রমোশন পেয়ে ২৫শে আগষ্ট সেনাপ্রধান হন জিয়াউর রহমান।
৭. সেনাপ্রধান হিসাবে দায়িত্ব নেয়ার পর রক্ষী বাহিনীর প্রভাবমুক্ত একটি শক্তিশালী পেশাদার ও সেনাবাহিনী গড়ে তোলার কাজ শুরু করেন শহীদ জিয়া।
৮. জিয়াকে মেনে নিতে পারেননি ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ। তিনি ভেতরে ভেতরে জিয়াউর রহমানকে সরানোর চক্রান্ত শুরু করেন।
৯. তার অংশ হিসেবে খালেদ মোশারফ ১৯৭৫ সালের ২রা নভেম্বর সেনা প্রধান জিয়াউর রহমানকে ক্যান্টনমেন্টে বন্দী করেন।
১০. ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মোশতাকের অনুমোদন নিয়ে মেজর জেনারেল হিসেবে নিজে নিজের প্রমোশন নেন এবং এরপর প্রশাসন চলে যায় খালেদ মোশারফের নিয়ন্ত্রণে।
১১. ১৯৭৫ সালের ৫ই নভেম্বর রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেন মোশতাক। মোশতাক এবং খালেদ বিচারপতি সায়েমকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেন ৬ই নভেম্বর। বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি। শেখ মুজিবুর রহমান ১০ই জানুয়ারী ১৯৭২ এ দেশে ফেরার ২ দিন পর ১২ জানুয়ারী সায়েমকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন।
১২. ১৫ই আগাষ্ট থেকে মোশতাক-শফিউল্লাহর জারী করা সামরিক আইন বহালথাকায় রাষ্ট্রপতি সায়েম একাধারে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেন। উল্লেখ্য, ৭ই নভেম্বর সংঘটিত হয় সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব। জিয়াকে বের করে আনা হয় বন্দীদশা থেকে।
১৩. ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর জেলের মধ্যে সংঘটিত হয় ৪ নেতা হত্যাকান্ড। আবার ৬ই নভেম্বর পাল্টা ক্যু’তে নিহত হন খালেদ মোশারফ। ১৯৭৭ সালের ২০শে এপ্রিল পর্যন্ত রাষ্ট্রপ্রতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিচারপতি সায়েম।
১৪. অর্থাৎ জেল হত্যাকান্ডের সময় জিয়া বন্দী ছিলেন। ক্ষমতা ছিল খালেদের হাতে।
১৫. ১৯৭৭ সালের ২০শে এপ্রিল প্রেসিডেন্ট পদ থেকে পদত্যাগ করেন বিচারপ্রতি সায়েম। অঅর্থাৎ CMLA পদ থেকেও সরে যান। ফলে প্রেসিডেন্ট এবং CMLA উত্তরাধিকারী হিসেবে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দাযিত্ব আসে জিয়াউর রহমানের কাঁধে।
১৬. ৩রা জুন ১৯৭৮ঃ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবার গৌরব অর্জন করেন প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়া। ঐ নির্বাচনে মোট প্রার্থী ছিলেন ১০ জন।
১৭. ১৯৭৯ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বিএনপি ২৬০টি এবং আওয়ামীলীগ ৩৯টি আসন লাভ করে। নির্বাচনে মোট ২৯টি দল অংশ নেয়।১৮. ১৯৭৮ সালের মে মাসে শহীদ জিয়া ১৯ দফা কর্মসূচী ঘোষনা করেন।
১৯. এই কর্মসূচীর উপর জনগনের আস্থা আছে কিনা সেটি যাচাইয়ে ৩০শে মে ১৯৭৮ এ গণভোট হয়।
২০. জিয়াউর রহমান সামরিক আইন জারি করেননি। ১৫ই আগস্ট সামরিক আইন জারী করেন মোশতাক। জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর বরং তিনি সামরিক আইন প্রত্যাহার করেন।
২১. জিয়াউর রহমান ইনডিমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেননি। ইনডিমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল মোশতাক সরকার ১৯৭৫ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর।
২২. জিয়াউর রহমান দালাল আইন বাতিল করেন নি। ১৯৭৫ সালের ৩১শে ডিসেম্বর দালাল আইন বাতিল করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, যে কিনা বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলো শেখ মুজিব কর্তৃক।
(সংগ্রহ করা)
I'm Raihan Ferdous Khan.i'm just an ordinary man .I just want the world we are living will be same workable for every human beings..
I am just a father of a cute daughter....


