Search This Blog

Saturday, August 30, 2025

The Bangladesh....


The Bangladesh....

90% of the history we have been learning for the last 53 years is a history imposed by India on us by lies.

The Bangladesh government published the names of 10,789 Razakars/albadar/alsam who collaborated with the Pakistani army, Pakistani army was 90 thousand , and the independence war was held for 9 month/270 days, so must have to kill almost 12,000 people each day, and each person has to kill 30 person at least. that is impossible ,

in 2nd world war Nazi's killed 60,00000 in 6 year's /2160 days so the killed 2778 persons each day they were most advanced arms. If Nazi's can't killed more then 2778 each day so how can Pak Army can killed each day 12,000. It's really funny theory. And awami and indian no prove about 3 millions numbers of killed in 1971.

30,00000 killed in 1971 is totally false , most of the international calculation is 1.5 laks-2 laks in this calculation 60,000 bihari killed by mokti foz included.

Also it's false that 2laks reaped , totally false information.

There is no exact figure available on how much money India looted from Bangladesh in 1971, but different individuals and media have presented different and contradictory information on this issue, such as some saying the figure was 30 thousand crores of taka, that mean 250 million us dollar, and can you imagine what is the value of 1971's 250 millions USD in 2025?

Was it the Pakistani Army or the Indian Army that killed the intellectuals in 1971's?  
This is also something to think about, 

Pakistan lost that battle with Bangladesh not India, So  they don't have to kill more people, But think about another perspective, Bangladesh is a new nation which is Surrounded by India if this nation hasn't any intellectuals then it's easy to capture and add to the indian map in future so easily.

We have to think again...so we can live , we can definitely defeat India, because India is our main enemy.....

Tuesday, August 19, 2025

রাজনীতির ৫০ বছর"৪৭ আপনাকে শুধু স্বাধীনতা দেয় নাই, ৪৭ আপনাকে দিয়েছে মানুষের মর্যাদা।



এক সময় এই দেশে মুসলমানের ছেলেদের রাস্তা ছেড়ে দিতে হত।

শুধু মুসলমান হওয়ার "অপরাধে"।

বানিয়ে বানিয়ে বলছি না। কাছাকাছি ঘটনা পাবেন আবুল মনসুর আহমেদ এর "আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর" বইতে।

সেখানে আবুল মনসুর আহমদ এর বেয়াদবির জন্য উনার বাবাকে হিন্দু জমিদারের কাছে হাত জোড় করে মাফ চাইতে হয়েছিল।

৪৭ আপনাকে শুধু স্বাধীনতা দেয় নাই, ৪৭ আপনাকে দিয়েছে মানুষের মর্যাদা।

৪৭ আগ পর্যন্ত আপনি ছিলেন প্রজা।

আপনাকে জমিদারের কাছে যেয়ে তার দয়া ভিক্ষা করতে হত।

দশ হাত দূরে দাঁড়ানো লাগত।

এ দেশে মুসলমানরা লেখাপড়া করতে পারে নাই কেন জানেন?

বেশিরভাগ স্কুলে মুসলমানের বাচ্চাদের বসতে দেওয়া হত না। 

অনেক স্কুলে ভর্তিই নিত না। 

নাটোরের একটা এলাকায় গেলে দেখবেন মুসলমানের ছেলের নাম গোপাল। 

কেন? 

কারন ওখানে মুসলমানদের বাচ্চার নাম রাখার অধিকার পর্যন্ত ছিল না। মুসলমানের ছেলে হলে সেই ছেলে কোলে নিয়ে দূরে দাঁড়াতে হত। 

হিন্দু জমিদার নিজের ইচ্ছামতো নাম দিয়ে দিতেন। 

পাকিস্তান হওয়ার পর এই এলাকাতে কাজী নাজির নামে একজন ম্যাজিস্ট্রেট যান। 

তিনিই প্রথম একজনের নাম রাখেন আব্দুর রহমান।

তিনিই প্রথম মুসলমানের ছেলেদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করে দেন।

তার আগ পর্যন্ত মুসলমানের ছেলে হলে স্কুলে জায়গা হত না। অশুচি হয়ে যায় তাই। 

৪৭ আপনাকে আপনার নাম দিয়েছে। 

৪৭ আপনাকে আপনার লেখাপড়ার সুযোগ দিয়েছে। 

৪৭ এর ১৪ আগস্টের আগে আপনি ছিলেন একজন অশুচি প্রজা, ৪৭ এর ১৪ আগস্ট থেকে আপনি প্রজা থেকে নাগরিক হয়েছেন। 

এই ইতিহাসগুলো কেউ আপনাকে বলবে না। 

বাট আপনার জানতে হবে। 

আপনার জানতে হবে, একটা পাকিস্তানের জন্য কেন আমাদের বাপ দাদারা ২০০ বছরের সংগ্রাম করলো? 

আপনার দেখতে হবে আসাম, দেখতে হবে কাশ্মীর, দেখতে হবে গুজরাট।

তারপর আপনি বুঝবেন, স্বাধীনতা কত বড়।

আপনার দেখতে হবে আসামের সেই দলিতকে। গরুর মাংস বহনের অভিযোগে যাকে কিছুদিন আগে হত্যা করা হয়েছে। 

জিন্নাহ আর শেরে বাংলারা শুধু আপনার নাম দেয় নাই, দিয়েছে আপনার খাওয়ার অধিকারও।

সেই তিতুমীর ,মজনু শাহ, হাজী শরীয়তুল্লাহ, দুদু মিয়া। তিতুমীর রক্ত দিলেন। সেই রক্তে লাল হয়ে গেল বুড়ি গঙ্গার পানি। 

দাঙ্গা লাগিয়ে দেয়া হলো। 

কোনভাবেই পাকিস্তান হইতে দেওয়া যাবে না। 

অত্যাচার জুলুম করে জমিদারি চালানোর এই মজা কে ছাড়তে চায়? 

মুসলমানের ছেলের নাম গোপাল রাখার মজা কে ছাড়তে চায়? 

তাই বারবার বুড়ি গঙ্গা আর

Saturday, May 10, 2025

সমাজের বাস্তবতা


১৯৫৫ সালে ইতালির বিখ্যাত গায়িকা"জুলিয়া মার্কিন" শহরের এক মোড়ে দাঁড়িয়ে নিজের শরীর থেকে "ব্রা" খুলে বলেন -- "এটা নিলাম করতে চাইছি,,,বলুন কতো টাকা দেবেন ??"উপস্থিত জনগণ ব্রা কেনার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে।
নিলামে ৩০০০ ডলার পর্যন্ত দাম ওঠে।।গায়িকা অট্টহাসিতে ফেটে পড়েন।।তিনি বলেন -- "তোমরা অত্যন্ত বোকা মানুষ।। যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে না,, এটা জেনেও আমার ব্রা কেনার জন্য ৩০০০ ডলার খরচ করতে চাইছো??""
অথচ,,কোনো দরিদ্র অভুক্ত মানুষ সামান্য খাদ্য চাইলে,,তাকে এক ডলার ও দিতে চাইবে না।।""তোমাদের মনমানসিকতা দেখে আমি অত্যন্ত লজ্জিত, দুঃখিত।এটাই আমাদের সমাজের বাস্তবতা।
ধর্মের কাজে ডোনেশন চাইলে ওরা অভাবে থাকে।
সামাজিক কাজে ডোনেশন চাইলে ওরা দেনায় থাকে।কিন্তু যখনই নাচ গানের আয়োজন হয়,ওরাই থাকে প্রথম সারিতে।
তখন ডোনেশনের অভাব হয়না।
👉সংগৃহীত

Friday, March 21, 2025

এই গেমে হাসনাত ভাই হাইরা যাবেন, আমি জানি।


এই গেমে হাসনাত ভাই হাইরা যাবেন, আমি জানি।

কাল থেকেই হাওয়া থেকে, আসমান থেকে দুর্নীতি বা নারী কেলেঙ্কারির নিউজ আসতে থাকবে। ফরম্যাট এক থাকবে। নিউজ এক থাকবে। খালি মিডিয়া আলাদা।

বাট ফ্যাক্ট কী জানেন?

যেই মিটিং থেকে উঠে আসছে, ঐটা এক্সেপ্ট করলেই ৫০০০ কোটির ফান্ড পাইয়া যাইতো। 

বোকা মানুষ। 

টাকাও ছাইড়া আসছে। এখন আবার ঐ দুর্নীতির নিউজেই ফাঁসবে। 

বাংলাদেশে এমনই হয় সাধারণত। আজ পর্যন্ত ঐ প্রেসক্রিপশনের বাইরে গিয়ে কেউ রাজনীতি করতে পারে নাই। 

হাসনাত পারলে ভালো। না পারলে ছেলেমেয়েদের আজকের এই গল্পটা শোনাবো আমি। শোনাবো আমাদের এক জার্সি পরা ক্যাপ্টেন ছিলো...।

হ্যা, কাপ্তানই তো। যখন হাজার কোটির ডিলিংসে ক্যাশপ্রেমিকরা দেশপ্রেমিকের সার্টিফিকেট বিক্রি করেছে, তখন এই ছেলেটা একটা জার্সি পরে সেইটা সবাইকে বলে দিয়েছে। 

সবাই যখন ক্যাশ নিয়ে আরো আরামের জীবনের খোঁজে ব্যস্ত ছিলো, এই ছেলেটা তখন সাহস করে বলেছিল, যদি মরে যাই, সবাই জানুক, কেন মরতে হয়েছে। 

বাংলাদেশের রাজনীতি গরীবের হক মেরে আরো ভালো করে বাঁচার রাজনীতি। এই রাজনীতিতে মরার জন্য খুব কম মানুষই এসেছে আজ পর্যন্ত। হাসনাত ঐ কম মানুষদেরই একজন।

স্যালুট, ক্যাপ্টেন বাংলাদেশ!

— সাদিকুর রহমান খান।

Friday, March 7, 2025

জাতির মুখের ভাষা ‘বাংলা’কে কেড়ে নিয়েছিলো

হাজার বছর আগে বাঙ্গালি জাতির মুখের ভাষা ‘বাংলা’কে কেড়ে নিয়েছিলো দক্ষিণ ভারত থেকে আগত সেন রাজারা। সেন রাজাদের হিন্দু পণ্ডিতরা ফতওয়া জারি করেছিলো, “যারা বাংলা ভাষা বলবে ও শুনবে তারা ‘রৌরব’ নামক নরকে যাবে।” ঐ সময় তুর্কি বংশোদ্ভূত ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজী নির্যাতিত বাঙালীদের মুক্ত করতে এগিয়ে আসেন এবং ১২০৪ সালে মাত্র ১৮ জন ঘোড়সওয়ারী নিয়ে সেন রাজাকে পরাজিত করে বাংলাকে স্বাধীন করেন। বক্তারা বলেন, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলাজীর বাংলা বিজয়ের মাধ্যম দিয়ে সেইদিন শুধু ভূমির বিজয় হয়নি, সাথে মুক্ত হয়েছিলো বাঙ্গালীদের মুখের ভাষা ‘বাংলা’।

ভাষাবিদ দীনেশ চন্দ্র সেন বলেন, “মুসলমান সম্রাটগণ বর্তমান বঙ্গ-সাহিত্যের জন্মদাতা বললে অত্যুক্তি হয় না। বঙ্গ-সাহিত্য মুসলমানদেরই সৃষ্ট, বঙ্গ-ভাষা বাঙালি মুসলমানের মাতৃভাষা।” অধ্যাপক ও গবেষক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, “যদি বাংলায় মুসলিম বিজয় ত্বরান্বিত না হতো এবং এদেশে আরো কয়েক শতকের জন্য পূ্র্বের শাসন অব্যাহত থাকতো, তবে বাংলা ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যেত এবং অবহেলিত ও বিস্মৃত-প্রায় হয়ে অতীতের গর্ভে নিমজ্জিত হতো।”

মধ্যযুগে মুসলিম শাসকদের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা ভাষার যে সাহিত্য চর্চা শুরু হয়, তার মাধ্যমে বাংলা ভাষা একটি পরিপূর্ণ ভাষা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার যোগ্যতা অর্জন করে।

বাংলা ভাষাকে কলুষিত করার চেষ্টা পরবর্তীতে যুগে যুগে আরো হয়। ১৮শ’ সনে ব্রিটিশরা কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করে বাংলা ভাষার আরবী ও ফারসী শব্দ বাদ দিয়ে সংস্কৃত শব্দ প্রবেশের উদ্দেশ্যে সাহিত্য চর্চা শুরু করে। তারা দেখাতে চায়, “বাংলা ভাষার সাথে মুসলমানদের কোন সম্পর্ক নেই”।

মুসলিমদের হেয় প্রতিপন্ন করতে প্রচার করা হয়, বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন শরীফ অনুবাদ নাকি গিরিশ চন্দ্র সেন করেছে। অথচ ১৮৮৬ সালে গিরিশ চন্দ্র সেনের অনুবাদের বহু পূর্বে ১৮০৮ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া। এরপর ১৮৩৬ সনে মৌলভী নাঈমুদ্দীন পূর্ণাঙ্গ কুরআন মাজীদের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন। অথচ এ ইতিহাস প্রচার করা হয় না।

মওলানা ভাসানীর


লাগেজ বলতে মওলানা ভাসানীর আজীবনের সাথী একটি মাত্র স্যুটকেস। দৈর্ঘ্য ষোল ইঞ্চি। সম্পদ বলতে তার মধ্যে থাকে একটি গামছা, একটি লুঙ্গি, একটি খদ্দরের পাঞ্জাবি, মাথার একটা টুপি, কিছু তামাক পাতা ও চুনের একটি ডিব্বা। এসব নিয়েই পূর্ব বাংলার শহরে-গ্রামে সফর করেন এবং এসব নিয়েই তিনি গেছেন ইউরোপ সফরে।

চিরসাথী স্যুটকেসটিতে তার তালা নেই। সে বস্তু বিদায় নিয়েছে বহুদিন আগেই। ফলে চির উন্মুক্ত স্যুটকেসটি দড়ি বা শাড়ির পাড় দিয়ে বেঁধে নিয়ে এখানে সেখানে যেতে হয়। 

ঢাকা থেকে যে দড়ি দিয়ে তার একমাত্র লাগেজ বেঁধে আনা হয়েছিলো লন্ডনে, একদিন সেটা হারিয়ে গেলো। অনেক খোঁজাখুজির পর দেখা গেলো সেটা ডাস্টবিনে শোভা পাচ্ছে। বাসার ঝাডুদার রাবিশ মনে করে সেটা ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছিলো।

একদিন তার ইউরোপ সফর সঙ্গিরা বললো, 'হুজুর, এটা ফেলে দিয়ে একটা নতুন স্যুটকেস  কিনে নেন না কেনো?
উত্তরে তিনি বললেন, 'জীবনের বহুদিনের সঙ্গী  আমার এই স্যুটকেসটি। বিদেশবিভুঁইয়ে ওকে না ফেলে দিয়ে দেশে গিয়েই না হয় বদলানো যাবে।'

লন্ডন থেকে স্টকহোমে যাওয়ার পথেও ছেঁড়া লুঙ্গির একাংশ দিয়ে বেঁধে স্যুটকেসটি নিয়ে  যাওয়া হলো। স্টকহোম থেকে পুনরায় লন্ডনে  ফিরার পথেও সেই ছেড়া লুঙ্গির বাঁধন। কিন্তু  লন্ডন এয়ারপোর্টে এসে রহস্যজনক ভাবে  স্যুটকেসটি হারিয়ে যায়।

স্যুটকেসটি হারানোর ফলে সফর সঙ্গিরা খুব খুশি হয়। সিদ্ধান্ত হলো একটা নতুন ক্রয় করা হবে।

যেদিন স্যুটকেস কেনার জন্য বাসা থেকে বের হচ্ছিলেন ঠিক তখনি মওলানার সাথে কয়েকবার জেলখাটা সেই স্যুটকেসটি নিয়ে হাজির বৃটিশ এয়ারওয়েজ এর লোক। 

বললো, 'মনে কিছু করবেন না স্যার, স্যুটকেসটি  ভুলক্রমে ব্রাসেলসে চলে গিয়েছিলো। আমরা দুঃখিত।'

মওলানার তখনও বেলজিয়াম দেখার সুযোগ হয়নি অথচ তার জেলখাটা স্যুটকেসটি সে দেশটা এক চক্কর ঘুরে এসেছে।

পুরোনো সাথী পেয়ে হুজুরের আনন্দ আর ধরে না। তিনি আরো খুশি হলেন দেখে যে, বিমান কোম্পানী  তার ভাঙা স্যুটকেসটি মেরামত করে তাতে একটা তালা লাগিয়ে একজোড়া ঝুলিয়ে দিয়েছে।
 
[ভাসানী যখন ইউরোপে, খন্দকার মোহাম্মদ ইলিয়াস]

Friday, February 21, 2025

Bengali language (বাংলা ভাষা)


Thousands of years ago, the Sena kings who came from South India took away the spoken language of the Bengali people, 'Bangla'. The Hindu scholars of the Sena kings issued a fatwa, "Those who speak and listen to the Bengali language will go to the hell called 'Rourab'." At that time, Ikhtiyar Uddin Muhammad Bakhtiyar Khilji, of Turkish origin, came forward to liberate the oppressed Bengalis and in 1204, with only 18 horsemen, defeated the Sena king and liberated Bengal. The speakers said that through the conquest of Bengal by Ikhtiyar Uddin Muhammad Bakhtiyar Khilji, not only the land was conquered that day, but also the spoken language of the Bengalis, 'Bangla', was liberated.

Linguist Dinesh Chandra Sen said, "It is not an exaggeration to say that the Muslim emperors are the fathers of the present Bengali literature. Bengali literature was created by Muslims, Bengali language is the mother tongue of Bengali Muslims.” Professor and researcher Mohammad Asaduzzaman said, “If the Muslim conquest of Bengal had not been accelerated and the Eastern rule had continued in this country for a few more centuries, the Bengali language would have become extinct and would have been neglected and almost forgotten, sinking into the womb of the past.”

Through the literary practice of Bengali language that began under the royal patronage of Muslim rulers in the Middle Ages, Bengali language gained the ability to emerge as a complete language.

Attempts to corrupt Bengali language were made more and more over the centuries. In the 18th century, the British established Fort William College in Calcutta and started literary practice with the aim of eliminating Arabic and Persian words from Bengali language and introducing Sanskrit words. They wanted to show that “Muslims have no relation with Bengali language”.

To humiliate Muslims, it is propagated that the first translation of the Quran Sharif into Bengali was done by Girish Chandra Sen. However, long before Girish Chandra Sen's translation in 1886, Maulana Amiruddin Basunia had partially translated the Quran Sharif into Bengali in 1808. Then in 1836, Maulvi Naimuddin completed the Bengali translation of the complete Quran Majeed. However, this history is not propagated.

হাজার বছর আগে বাঙ্গালি জাতির মুখের ভাষা ‘বাংলা’কে কেড়ে নিয়েছিলো দক্ষিণ ভারত থেকে আগত সেন রাজারা। সেন রাজাদের হিন্দু পণ্ডিতরা ফতওয়া জারি করেছিলো, “যারা বাংলা ভাষা বলবে ও শুনবে তারা ‘রৌরব’ নামক নরকে যাবে।” ঐ সময় তুর্কি বংশোদ্ভূত ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজী নির্যাতিত বাঙালীদের মুক্ত করতে এগিয়ে আসেন এবং ১২০৪ সালে মাত্র ১৮ জন ঘোড়সওয়ারী নিয়ে সেন রাজাকে পরাজিত করে বাংলাকে স্বাধীন করেন। বক্তারা বলেন, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলাজীর বাংলা বিজয়ের মাধ্যম দিয়ে সেইদিন শুধু ভূমির বিজয় হয়নি, সাথে মুক্ত হয়েছিলো বাঙ্গালীদের মুখের ভাষা ‘বাংলা’।

ভাষাবিদ দীনেশ চন্দ্র সেন বলেন, “মুসলমান সম্রাটগণ বর্তমান বঙ্গ-সাহিত্যের জন্মদাতা বললে অত্যুক্তি হয় না। বঙ্গ-সাহিত্য মুসলমানদেরই সৃষ্ট, বঙ্গ-ভাষা বাঙালি মুসলমানের মাতৃভাষা।” অধ্যাপক ও গবেষক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, “যদি বাংলায় মুসলিম বিজয় ত্বরান্বিত না হতো এবং এদেশে আরো কয়েক শতকের জন্য পূ্র্বের শাসন অব্যাহত থাকতো, তবে বাংলা ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যেত এবং অবহেলিত ও বিস্মৃত-প্রায় হয়ে অতীতের গর্ভে নিমজ্জিত হতো।”

মধ্যযুগে মুসলিম শাসকদের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা ভাষার যে সাহিত্য চর্চা শুরু হয়, তার মাধ্যমে বাংলা ভাষা একটি পরিপূর্ণ ভাষা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার যোগ্যতা অর্জন করে।

বাংলা ভাষাকে কলুষিত করার চেষ্টা পরবর্তীতে যুগে যুগে আরো হয়। ১৮শ’ সনে ব্রিটিশরা কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করে বাংলা ভাষার আরবী ও ফারসী শব্দ বাদ দিয়ে সংস্কৃত শব্দ প্রবেশের উদ্দেশ্যে সাহিত্য চর্চা শুরু করে। তারা দেখাতে চায়, “বাংলা ভাষার সাথে মুসলমানদের কোন সম্পর্ক নেই”।

মুসলিমদের হেয় প্রতিপন্ন করতে প্রচার করা হয়, বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন শরীফ অনুবাদ নাকি গিরিশ চন্দ্র সেন করেছে। অথচ ১৮৮৬ সালে গিরিশ চন্দ্র সেনের অনুবাদের বহু পূর্বে ১৮০৮ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া। এরপর ১৮৩৬ সনে মৌলভী নাঈমুদ্দীন পূর্ণাঙ্গ কুরআন মাজীদের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন। অথচ এ ইতিহাস প্রচার করা হয় না।