Search This Blog

Friday, December 5, 2025

আওয়ামিলীগ বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব কে বিক্রি করে দিয়েছে ১৯৭১ এর বিজয় দিবসে........!!!!!!


আওয়ামিলীগ বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব কে বিক্রি করে দিয়েছে ১৯৭১ এর বিজয় দিবসে........!!!!!!
মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধীনায়ক জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী কে 🇧🇩, যদি সেদিন জেনারেল আরোরার জায়গায় জেনারেল ওসমানীকে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ পত্রে স্বাক্ষর করতে দিতো। কিন্তু তা কেড়ে নিয়ে তুলে দেওয়া হলো ভারতের কোলে। 

ভারত আমাদের বন্ধু না শত্রু❓
১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে সাহায্য করতে এসে ভারতের প্রাপ্তি
লেখক: আরিফুল হক( সাবেক বিশিষ্ট নাট্যাভিনেতা)

ভারতের আর্থিক প্রাপ্তি (জাতিসংঘের মাধ্যমে):
১) যুক্তরাষ্ট্র থেকে: ৮,৯১৫,৭০০ ডলার
২) যুক্তরাজ্য থেকে: ৩,৮১১,২১৩ ডলার
৩) কানাডা থেকে: ২,৩২৬,৩৬০ ডলার
৪) সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে: ২০,০০০,০০০ ডলার
৫) মায়ামী থেকে: ১২৬ কোটি ডলার
৬) জাতিসংঘের ৬৮টি দেশ থেকে: ৫৭৪,১৬২ ডলার

এই অনুদানের মোট পরিমাণ ছিল তখনকার হিসেবে ১২,৩১২,৯৫২৯৪ টাকা।

পাকিস্তানের কাছ থেকে প্রাপ্তি:
যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ বাবদ: ৫৯,৩৫১,৪২৯৪ রুপি।  এসব কিছুই পেত বাংলাদেশ 🇧🇩, যদি সেদিন জেনারেল আরোরার জায়গায় জেনারেল ওসমানীকে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ পত্রে স্বাক্ষর করতে দিতো।  কিন্তু তা কেড়ে নিয়ে তুলে দেওয়া হলো ভারতের কোলে। 

★ ২০২২-২৩ সালে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে তুমুল যু"দ্ধ হলো।  ৩০ বছর পর আজারবাইজান যু"দ্ধে জয়লাভ করে।  তার হারানো ভূমিসমূহ উদ্ধার করে নেয়। এ যু"দ্ধে আজারবাইজান এর পক্ষে মূল কারিগর  ছিল"" তুরস্ক ""।  আর "" পাকিস্তান """।  পাকিস্তানি এসএসজি কমান্ডোরা আজারবাইজানের পক্ষে যু"দ্ধ করে।  তুরস্ক তার বাইরাখতার টিভি টু ড্রোনের কারিশমা দেখায় সারা বিশ্বকে।  

অপরদিকে,  আর্মেনিয়ার পক্ষে রাশিয়া,  ভারত,  ইরান সহায়তা করে।  

যাইহোক,  এ যু"দ্ধের পর তুর্কী ও আজারবাইজান তাদের বিভিন্ন মহরা, সামরিক চুক্তি করে,  তবে তারা কি তুর্কী ও পাকিস্তানকে ঘাটি বা অতিরঞ্জিত কিছু করেছে?????  না করেনি। 

আবার,  তালেবানরা ২০২১ সালে আফগান পুনরায় দখল করে। আমেরিকার সেনারা পালিয়ে বাঁচে।  আফগানদের এ সাফল্য কি একার???  তারা কি অন্যদেশকে আমাদের মতো স্বামী-স্ত্রী তকমা দিয়ে অতিরিক্ত কিছু করেছে????  না সেটাও হয় নি...। 

আমরা যু"দ্ধ করেছি।  সুতরাং আমাদের স্বাধীনতার সহায়ক ভারত।  তবে যু"দ্ধ আমাদের,  র"ক্ত আমাদের। তাই পাকিরা স্বাভাবিকভাবেই আমাদের কাছেই আত্মসমর্পণ করবে, যেমনটা "" বৃটিশরা ১৭৭৬ সালে জর্জ ওয়াশিংটন এর মার্কিনবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে, আমেরিকার স্বাধীনতা দিতে বাধ্য হয়।  তখন আমেরিকা আজকের মতো বিশাল দেশ বা জাতি ছিল...????  না ছিল না।  

তাহলে,  ১৯৫ বছর পর "" বাংলাদেশের 🇧🇩 মহান মুক্তিযু"দ্ধ "" পাকিস্তানি মোট ১,০০,০০০ সেনারাও "" জেনারেল ওসমানীর নিকট আত্মসমর্পণ করতে পারতো।  কিন্তু কৌশলে তা হতে দিলো না,  মুক্তিযু"দ্ধে কোলকাতায় আরাম-আয়েশ করা  আমাদেরই নেতা নামক গাদ্দাররা। 

তাহলে আজ আমরা হতাম বীরের জাতি।  আমাদের হতো সম্মান।  আজ আমরা যতই বলি আমাদের মহান মুক্তিযু"দ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীন হয়েছি, বিশ্ব জানে পাক- ভারতের যু"দ্ধে "" বাংলাদেশ 🇧🇩 "" স্বাধীন হয়েছে। 

যেমনটা ঃ ২য় বিশ্বযু"দ্ধে জার্মান-জাপান ও রাশিয়া- আমেরিকার  মধ্যে হলেও আরও বহুদেশের মধ্যে হয়েছে,  তা কি আমরা জানি??????  

যাইহোক..... 
পাকিস্তানিদের ফেলে যাওয়া অ"স্ত্র ও সরঞ্জাম: কেবল ৮৭টি ট্যাঙ্কের মূল্যই ছিল প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন ডলার

শুধু খুলনা অঞ্চল থেকেই বিভিন্ন সামগ্রী (যেমন মেশিনারিজ, মালামাল) লুটে নেওয়া হয়েছিল প্রায় ২.২ মিলিয়ন ডলারের

এছাড়া, দোকানপাট থেকে সোনার গহনা, ইলেকট্রনিকস, শিল্প কারখানার যন্ত্রাংশ, দামি গাড়ি ইত্যাদি শত শত ওয়াগনে করে নিয়ে যাওয়া হয়—যার সুনির্দিষ্ট হিসাব আজও নেই।

এর পাশাপাশি নদী, বন্দর, সড়ক, ব্রিজ এবং দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোতেও ভারতের প্রভাব বিস্তার ঘটে। তবুও আজ শুনতে হয়, আমরা নাকি ভারতের কাছে কৃতজ্ঞ! আর তারপর, শেখ হাসিনা সরকার এত কিছু উজাড় করে দিয়েছে যে, ভারত হয়তো তা আজীবন মনে রাখবে!
>>>
মুক্তিযু"দ্ধের বিষয়টা বলতে গেলে এমন দাড়ায়,  যেমন ঃ আপনার বাসায় মেহমান দাওয়াত করলেন,  তাদের জন্য বাজার করলেন, রান্না করলেন, খাওয়ালেন,সবকিছু আপনার, খরচ আপনার, পেট ভরে খেয়েও গেল, আবার যাওয়ার সময় নিয়েও গেল, কিন্তু আপনারা রাতে ঝোল আর কোন রকমে ডিম ভাজি করে ভাত খেয়ে শুয়ে পড়লেন। 
বিষয়টি এমনই। 

আবার,  
আপনি বিয়ে করলেন।  বহু শখের বিয়ে। বহু খরচ করে জিনিষপত্র দিয়ে সাজিয়ে, লক্ষ টাকার কাবিন করে, ঘরে তুললেন।  কিন্তু বাসর করবেন।  ঘরে ঢুকে দেখলেন বউ পালিয়েছে।  সে রাতে তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে বাসর হলো। 
সবকিছু আপনিই করলেন, কিন্তু মজা মারলো ফজা ভাই। 

মুক্তিযু"দ্ধের বিষয়টা তেমনই।  
যু"দ্ধে ভারত ট্রেইনিং দিয়ে আতাউল গনি ওসমানীর নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনীকে সহায়তা করে তা ঠিক,  কিন্তু মুক্তিবাহিনীর তেমন কোন ভারী অ"স্ত্র ছিল না।  হালকা কামান, শর্ট রেঞ্জের মর্টার, আর গ্রে"নেড, আর কিছু রাই"ফেল,  হালকা এসএম"জি, এইতো।  

এ.জি. ওসমানী বহুবার ভারী অ"স্ত্র চেয়েছিলেন।  অস্হায়ী সরকারকে দিয়ে ভারত সরকারের কাছে অ"স্ত্র সরবরাহ  দাবী করে ছিলেন।  ফল শূন্য।

ভারত রিস্ক নিতে চায়নি। মিশন ব্যর্থ হলে সব যাবে জলে,  এই ভেবে।  তাদের চিন্তা ছিল, দীর্ঘ মেয়াদী গৃহযু"দ্ধ।  ফলে একদিকে পাকিস্তান দূর্বল হয়ে পড়বে এবং ভারত হবে এশিয়া কিং ও পাকিস্তান কাস্মীর বিষয়ে ভারতের সাথে সমঝোতা করতে বাধ্য হবে।  ভারত কখনো কল্পনাই করেনাই,  কালা, চিকনা- পাতলা, খাটা বাঙ্গালী.. ৫৬ ইঞ্চির চওড়া বুকের, লম্বা, ফর্সা, স্বাথ্যবান পাঠান পাকিস্তানিদের প্রায় খালি হাতেই হারিয়ে দিবে এক"" ওসমানীর """ সুদক্ষ নেতৃত্বে।  

৬৫ সালে শিয়ালকোটে এই কর্নেল ওসমানীর "" ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙ্গালী সেনাদের কাছে হারে, এই ওসমানীই ছিল ভারতের অসহ্যকর পাত্র।  নানাভাবে তাকে সরানোর চেষ্টা করে। একবার তো ওসমানী পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়ে সরে যেতে চেয়েছিলেন।  তবে অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ গ্রহণ না করে তাকে দায়িত্ব পালন করতে অনুরোধ করেন।  কেননা, ওসমানী ব্যাতীত এ যু"দ্ধ চালানো সম্ভব হবে না। 

অ"স্ত্রের তেমন যোগান নাই  তবুও হাল ছাড়েনি ওসমানী বাহিনী। বীর বাঙ্গালি সেই স্বল্প অ"স্ত্র নিয়েই পাকিস্তানের ঘাটি দখল করতে থাকে, তাদের হতে উদ্ধারকৃত অ"স্ত্র নিয়ে লড়তে থাকে। 

এরই মধ্যে মুক্তিবাহিনীকে কাউন্টার করতে মামা বাহিনী, মুজিব বাহিনী  সহ নানান গেরিলা বাহিনী তৈরী করে। 

উদ্দেশ্য ঃ ভারতের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা,  মুক্তিবাহিনীকে কাউন্টার করা, যাতে একেকভাবে সর্ব এলাকা কব্জা করতে না পারে, এবং পাক- সরকার ভারতের সাথে দরকষাকষিতে বাধ্য হয় ফলে একদিকে কাস্মীর নিরাপদ থাকবে অন্যদিকে পাক- সরকার বিছিন্নতাবাদীদের নিয়ে ব্যস্ত থাকে । 

★★★ হয়তো লেখা গুলো আপনার বিশ্বাস হচ্ছে না,  তবে এটাই সত্যি। 

যাই হোক,  স্বাধীনতার থেকে ১৩ দিন যখন দূরে, ২রা ডিসেম্বর   পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে যু"দ্ধ ঘোষণা করে বসে। এমনিতেই পূর্ব পাকিস্তানে কোনঠাসা, ভারত স্হল, আকাশ, সমুদ্রসীমা বন্ধ করে দেয় ফলে পাকিস্তান হতে আর সেনা, রসদ আসছিলো না।  যা ছিল শেষের পথে।  শেষদিকে,  আমেরিকা তার সপ্তম নৌবহর পাঠালে,  ভারতের মিত্র সোভিয়েত রাশিয়া নবম নৌবহর পাঠায়।  ফলে,  এ যাত্রায় আর তৃতীয় বিশ্বযু"দ্ধ লাগেনি। 

শেষ ভরসা,  চীনা বিমান আসার কথা থাকলেও আন্তর্জাতিক চাপে চীন আসতে পারেনি। 

ফলাফল ঃ ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ। 

যু"দ্ধ করলো বাংলার 🇧🇩 দামাল সন্তানরা।  আর গাদ্দারদের সহায়তার ভারত নিয়ে গেল স্বাধীনতার চুক্তিপত্রে স্বাক্ষরসহ সমস্ত ক্রেডিট ও লাভের অংশ। ও ২৫ বছর গোলামী চুক্তি  এবং সেনা রাখার নিশ্চয়তা, ভারত নির্দেশিতপররাষ্ট্র নীতি। 

এই হলোস্বাধীনতার নামে  পরাধীনতার লাল  স্বাধীনতা। 🤧🛩️🇧🇩 কপিরাইট। #বাংলাদেশের #ইতিহাস #স্বাধীনতা #ভারত #পাকিস্তান #যুদ্ধ #মুক্তিযোদ্ধা

No comments:

Post a Comment